৩ মে ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
স্টাফ রিপোর্টার : রোববার হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব), সিলেট অঞ্চলের অফিসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাব সিলেট অঞ্চলের সেক্রেটারি মুহাম্মদ আব্দুল কাদির জানান, আগামী ৪ মে ২০২৬ রাত ১টা ২৫ মিনিটে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি প্রথম ফ্লাইটটি মদিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে। তিনি বলেন, প্রতিবারের মতো এ বছরও সিলেট থেকে সরাসরি হজ ফ্লাইট শুরু হতে যাওয়া অত্যন্ত আনন্দের ও গৌরবের বিষয়। ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এ উপলক্ষে হাব সিলেট অঞ্চলের পক্ষ থেকে সব হজযাত্রীকে আন্তরিক মোবারকবাদ এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান মুহাম্মদ আব্দুল কাদির।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও জানান, গত বছরের ধারাবাহিকতায় এ বছর সিলেট থেকে মোট সাতটি হজ ফ্লাইট পরিচালিত হবে। এর মধ্যে একটি ফ্লাইট মদিনা এবং বাকি ছয়টি ফ্লাইট জেদ্দা বিমানবন্দরে যাবে। এবার সিলেট অঞ্চলের মোট হজযাত্রীর সংখ্যা ৩ হাজার ৩৯৪ জন। এর মধ্যে ২ হাজার ৯৩৩ জন যাত্রী সিলেট থেকে সরাসরি সাতটি ফ্লাইটে সৌদি আরব যাবেন এবং বাকি ৪৬১ জন যাত্রী সিলেট থেকে ঢাকা বিমানবন্দর হয়ে সৌদি আরব যাবেন। রোড টু মক্কা কর্মসূচির আওতায় ঢাকা বিমানবন্দরে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন হবে, তবে সিলেট থেকে যাওয়া সব হজযাত্রীর আগমনী ইমিগ্রেশন সৌদি আরবেই সম্পন্ন হবে। প্রথম ফ্লাইট ছাড়া বাকি ফ্লাইটগুলো সিলেট-জেদ্দা রুটে পরিচালিত হবে। ছয়টি ফ্লাইটের সময়সূচি হলো: ১৪ মে, ১৫ মে, ১৬ মে, ১৭ মে (দুটি ফ্লাইট) এবং ১৮ মে।
পাশাপাশি এ বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি হজ ব্যবস্থাপনায় মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী হজ পালন করবেন। সৌদি সরকার এ বছর হজ কোটা ব্যবস্থাপনায় এজেন্সিপ্রতি ন্যূনতম ২ হাজার হজযাত্রীর সীমা নির্ধারণ করে দিলেও এই কোটা পূরণে সিলেট অঞ্চলে তেমন কোনো বড় ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি। সিলেট অঞ্চলে মোট ৩০টি হজ এজেন্সি কার্যক্রমে যুক্ত থাকলেও এ বছর ২৩টি এজেন্সি হজ নিবন্ধনে অংশগ্রহণ করেছে। এসব এজেন্সির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সিলেট অঞ্চলের সব হজযাত্রীর নিবন্ধন, সৌদি আরবে বাড়িভাড়া ও ভিসা কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এ বছর একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে সব এজেন্সি সম্মিলিতভাবে ‘সিলেট এলায়েন্স হজ ২০২৬’ নামের একটি প্ল্যাটফর্মের অধীনে লিড এজেন্সি বাংলাদেশ ওভারসীজ সার্ভিসেসের লাইসেন্সে হজ কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যা সমন্বিত ব্যবস্থাপনার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।
মুহাম্মদ আব্দুল কাদির দাবি করেন, অতীতের মতো ভবিষ্যতেও হজযাত্রীদের সার্বিক কল্যাণে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব), সিলেট অঞ্চল সব সময় পাশে থাকবে।