,

19 February 2025, 12:33 AM

কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৪ এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

আপডেট টাইম : February 19, 2025 12:33 AM



শেয়ার করুন

কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরাম, সিলেট জেলা পূর্ব কর্তৃক আয়োজিত “কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৪” এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। ১৮ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) নগরীর কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ মিলনায়তনে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, “বর্তমান বিশ্বে জ্ঞানই হচ্ছে প্রতিযোগিতার প্রধান হাতিয়ার। যারা জ্ঞানে এগিয়ে, তারাই বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।বাংলাদেশকেও বিশ্ব নেতৃত্বে আসতে হলে মেধাবী শিক্ষার্থীদের আরও অগ্রগামী হতে হবে।”

প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মু’তাসিম বিল্লাহ শাহেদী। তিনি বলেন, “শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান যথেষ্ট নয়, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায়ও সমৃদ্ধ হতে হবে। নৈতিকতা ছাড়া অর্জিত জ্ঞান ব্যক্তি ও সমাজের জন্য উপকারী নয়।” বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ সৈয়দ মাওলানা ফয়জুল্লাহ বাহার। তিনি বলেন, “মেধাবীদের উচিত লক্ষ্য স্থির রেখে এগিয়ে যাওয়া। সময় নষ্ট না করে নিজেদের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে সফলতার শিখরে পৌঁছাতে হবে।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরাম, সিলেট জেলা পূর্ব-এর চেয়ারম্যান মারুফ আহমদ, এবং পরিচালনা করেন ফোরামের ভাইস চেয়ারম্যান আবু আইয়ুব মঞ্জুর। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান তারেক মনোয়ার। ইউনিভার্স্যাল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল রেজাউল করিম। কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরাম সিলেট জেলা পূর্বের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক আদিলুর রহমান। হা. রেজাউল করিম, মহসিন আলমাস, আহবাব হোসাইন মুরাদ, রাফিয়ান আহমদ চৌধুরী, নাজির আহমদ ও ফজল আহমদ সহ বিভিন্ন থানার প্রতিনিধি ও স্কুলের শিক্ষকবৃন্দ।

এ বছর কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় সিলেট জেলা পূর্বের বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রায় ৭,০০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ২৭৮ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করে।ট্যালেন্টপুল গ্রেডে – ৫৭ জন। সাধারণ গ্রেডে – ৯৩ জন ও বিশেষ গ্রেডে – ১২৮ জন। এ বছর মেধাবীদের মাঝে মোট ৩,৮২,০০০ টাকার বৃত্তি প্রদান করা হয়। মেধাবৃত্তি পরীক্ষার এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদের মেধাকে বিকশিত করার সুযোগ করে দিচ্ছে। আয়োজকরা ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

শেয়ার করুন