,

27 July 2026, 12:29 PM

ধর্ষণচেষ্টার মামলার আসামিকে র‍্যাব-৯-এর সহযোগিতায় আটক করল জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ

আপডেট টাইম : July 27, 2026 12:29 PM



শেয়ার করুন

ইমাম উদ্দিন,জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:

সিলেটের জৈন্তাপুরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টার মামলার প্রধান আসামি জসিম মিয়া (পিতা: আব্দুল মালিক, গ্রাম: নয়াখেল, থানা: জৈন্তাপুর, জেলা: সিলেট)-কে ঘটনার প্রায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে র‍্যাব-৯-এর সহযোগিতায় আটক করেছে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ।

জানা যায়,গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে জৈন্তাপুর উপজেলার নয়াখেল এলাকায় সারিঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির এক কিশোরীকে বাড়িতে একা পেয়ে জসিম মিয়া তার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে।

এ সময় কিশোরীর চিৎকার শুনে স্থানীয় প্রতিবেশীরা ছুটে এসে অভিযুক্তকে আটক করে গণপিটুনি দেন।
পরে জসিমের পরিবারের সদস্য ও নিকটাত্মীয়রা চিকিৎসার কথা বলে তাকে স্থানীয়দের কাছ থেকে নিয়ে যান।
এ ঘটনার ভিডিও স্থানীয় কয়েকজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ওঠে।

ঘটনার পর শুক্রবার বিকেলে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানায়,মামলার খবর পেয়ে সিলেট নগরীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা জসিম মিয়া সেখান থেকে পালিয়ে যায়।এরপর শনিবার জৈন্তাপুর মডেল থানার একটি দল নগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে তার সন্ধান চালায়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই উৎসব কর্মকার জানান,শনিবার দিনভর বিভিন্ন হাসপাতালে খোঁজ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে রবিবার র‍্যাব-৯-এর সহযোগিতা চাওয়া হয়।

অভিযুক্তের ছবি ও প্রয়োজনীয় তথ্য র‍্যাবের কাছে সরবরাহ করা হলে প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
রবিবার সন্ধ্যা প্রায় ৬টার দিকে র‍্যাব-৯-এর একটি দল সিলেট নগরীর চণ্ডীপুল এলাকা থেকে জসিম মিয়াকে আটক করে। পরে তাকে জৈন্তাপুর মডেল থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানান, আটক আসামিকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে সোমবার পুলিশ পাহারায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

শেয়ার করুন