28 July 2026, 11:17 PM
মাহফুজ কাউসার ছাদি : সিলেটে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার থেকে অস্বাভাবিক হারে টাকা কর্তনের অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন গ্রাহক উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, স্বাভাবিক ব্যবহারের তুলনায় তাদের ব্যালেন্স অনেক দ্রুত কমে যাচ্ছে। স্থানীয় এক ভুক্তভোগী গ্রাহক জানান, মাত্র একদিনের মধ্যে তার মিটার থেকে প্রায় ৪০০ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে, যা পূর্ববর্তী মাসের ব্যবহারের চেয়ে অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন তিনি।
এই পরিস্থিতিতে সিলেট বিদ্যুৎ বিতরণ অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইমাম হোসাইন বলেন, জুলাই মাসের তীব্র গরমে ফ্যান, এসি ও ফ্রিজসহ নানা বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, ফলে ইউনিট খরচ স্বাভাবিকভাবেই বেশি হয়েছে। এছাড়া নতুন ট্যারিফ সংযোজন এবং স্ল্যাব পদ্ধতিতে বিল নির্ধারণের কারণে মাসিক বিল কিছুটা বেশি মনে হতে পারে, যেখানে ব্যবহারের পরিমাণ অনুযায়ী স্তরে স্তরে দাম বাড়ে। তবে তিনি দাবি করেন, বিদ্যুৎ বিল বাড়ার কোনো সুযোগ নেই এবং এই অভিযোগকে তিনি ‘প্রোপাগান্ডা’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
অন্যদিকে সাধারণ গ্রাহকরা এই প্রতিক্রিয়ায় সন্তুষ্ট নন। তাঁদের দাবি, যদি মিটারের কারিগরি ত্রুটি, সফটওয়্যার সমস্যা অথবা বিলিং ব্যবস্থায় কোনো অসঙ্গতি থাকে, তাহলে তা দ্রুত শনাক্ত করে সমাধান করতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত সকল গ্রাহকের অভিযোগ গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা। এই বিতর্ক এখনো থামেনি, আর গ্রাহকদের উদ্বেগ ও অসন্তোষ দিন দিন বাড়ছে।