,

16 April 2022, 10:17 PM

সিলেট সহ দেশের বিভিন্ন হাওরে প্রতি বছর নির্মাণ হয় ফসলরক্ষা বাঁধ!যে কারণে অভিযোগের শেষ নেই!

আপডেট টাইম : April 16, 2022 10:17 PM



শেয়ার করুন

নূরুদ্দীন রাসেল :: সিলেট সহ দেশের বিভিন্ন হাওরে প্রতি বছর নির্মাণ হয় ফসলরক্ষা বাঁধ!যে কারণে অভিযোগের শেষ নেই।প্রতি বছরই এ কাজে অনিয়ম ও গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। উজান থেকে ঢলও নামে প্রতি বছর। বাঁধ ভেঙে তলিয়ে যায় হাওরের ফসল। যে বছর বৃষ্টিপাত ও ঢল বেশি হয়, সে বছর ফসলের ক্ষতিও হয় বেশি।

বাঁধের কাজে অনিয়ম ও গাফিলতি কমলে ফসল কিছুটা রক্ষা পাবে। তবে ঢল বেশি হলে কেবল বাঁধ নিয়ে এখন আর ফসল রক্ষা করা যাবে না।

তাদের মতে, হাওরাঞ্চলের সবগুলো নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। এতে অল্প ঢলে নদী উপচে পানি হাওরে প্রবেশ করছে। হাওরের ফসল রক্ষায় তাই ব্যাপক আকারে নদী খনন প্রয়োজন।

এরই ধারাবাহিকতায় হাওরের সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য ১ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম। প্রকল্পটি একনেক সভায় পাশ করিয়ে আগামী নভেম্বরেই কাজ শুরুর আশা করা হচ্ছে।

জানা যায়,উজানের পানি প্রবাহে প্রায় প্রতিবছরই হাওর এলাকার বাঁধ ভাঙে। উজানের পানির সঙ্গে আসা পলিতে ওই এলাকার ১৪টি নদী ভরাট হয়ে গেছে। এসব নদী খননে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

হাওরের সমস্যার স্থায়ী সমাধানে নেয়া প্রকল্পটি অনুমোদন হলে হাওরের সমস্যা থাকবে না বলেও দাবি করেন তিনি।

সিলেট বিভাগের ৪ জেলা (সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, সিলেট ও মৌলভীবাজার)-সহ কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ১৪ হাজার ৫৩৬ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে হাওরাঞ্চল বিস্তৃত। ৪১৪টি হাওর আছে এই অঞ্চলে। আর এসব হাওরের মধ্য দিয়েই প্রবাহিত হয়েছে মেঘনা, সুরমা, কুশিয়ারা, যাদুকাটা, পিয়াইন, বউলাই, কাতলাই, সোমেশ্বরী, খোয়াইসহ অন্তত ১৪টি নদী।

তলদেশ ভরাট হয়ে সবগুলো নদীই এখন নাব্য হারিয়েছে। ফলে অল্প বৃষ্টি বা ঢলেই নদী উপচে আশপাশের এলাকায় পানি ছড়িয়ে পড়ছে।

এসব বিষয়ে জরুরি দৃষ্টিপাত ও প্রয়োজনীয় কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন জনসাধারণ।

শেয়ার করুন