,

13 September 2026, 12:12 AM

ফুলকুঁড়ি আসরের ৬ষ্ঠ ক্ষুদে গণিত উৎসবে সিলেটে তেরোশত শিক্ষার্থী

আপডেট টাইম : September 13, 2026 12:12 AM



শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার : জাতীয় শিশুকিশোর সংগঠন ফুলকুঁড়ি আসর-এর ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট মহানগরী শাখার উদ্যোগে ৬ষ্ঠ ক্ষুদে গণিত উৎসব—২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত সিলেট নগরীর স্কলার্সহোম, টিলাগড় ক্যাম্পাসে মহানগরীর বিভিন্ন স্কুলের প্রায় তেরোশত শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এ গণিত উৎসবের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

“পৃথিবীকে গড়তে হলে সবার আগে নিজকে গড়ো”—এই স্লোগানকে ধারণ করে শিশু-কিশোরদের মেধা, মনন, সৃজনশীলতা ও নৈতিক বিকাশে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে ফুলকুঁড়ি আসর। সংগঠনটির ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেট মহানগরীতে এ আয়োজন করা হয়।

শাখা পরিচালক জুনাইদ আহমেদ-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং শাখা সহকারী পরিচালক ও ৬ষ্ঠ ক্ষুদে গণিত উৎসবের পরীক্ষা আহ্বায়ক মো. আবুল কাশেম আজাদ-এর আহ্বানে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। সকাল থেকেই শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংগঠকদের উপস্থিতিতে স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠান ও পরীক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ফুলকুঁড়ি আসর সিলেট মহানগরীর উপদেষ্টা সহ-সভাপতি জনাব মুকতাবিস-উন-নূর, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ট্রেজারার ও সমাজকল্যাণ অনুষদের অধ্যাপক প্রফেসর ড. মো. ইসমাইল হোসেন, স্কলার্সহোম, টিলাগড় ক্যাম্পাসের প্রিন্সিপাল মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক ও শাখা কিশোর থিয়েটারের উপদেষ্টা আহমদ মাহবুব ফেরদৌসী, ফুলকুঁড়ি আসরের প্রাক্তন প্রধান পরিচালক তৌহিদুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি সম্পাদক মাহবুব সরকার।

পরিদর্শনকালে অতিথিরা ফুলকুঁড়ি আসরের এ ধরনের সৃজনশীল ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। তারা বলেন, শিশু-কিশোরদের মেধা বিকাশের পাশাপাশি তাদের নৈতিকতা, দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও ফুলকুঁড়ি আসরকে শিশু-কিশোরদের কল্যাণে আরও ব্যাপক ও কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

আয়োজকরা জানান, ৬ষ্ঠ ক্ষুদে গণিত উৎসব শুধু একটি গণিত প্রতিযোগিতা নয়; বরং শিশু-কিশোরদের গণিতভীতি দূর করে যুক্তিবোধ, বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও মেধার বিকাশ ঘটানোর একটি প্রয়াস। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব তৈরি এবং মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, “শিক্ষা সেবায় আনন্দ, গড়বো নতুন দিগন্ত”—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ফুলকুঁড়ি আসর তার ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশব্যাপী বিভিন্ন শিক্ষামূলক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও সেবামূলক কর্মসূচি পালন করছে।

শেয়ার করুন