শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৫ এপ্রিল ২০২৫, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ

বালাগঞ্জে বস্তায় আদা চাষ করে সাড়া ফেলেছেন লুৎফুর রহমান নামের এক আলেম

আপডেট টাইম : এপ্রিল ৫, ২০২৫ ১০:৫৬ অপরাহ্ণ



শেয়ার করুন

আবুল কাশেম অফিক : সিলেটের বালাগঞ্জে বস্তায় আদা চাষ করে স্থানীয় ভাবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন ক্বারী মাওলানা লুৎফুর রহমান নামের এক তরুণ আলেম।

জানা গেছে, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আরেক আলেম ও সমাজকর্মী খতীব মাওলানা তাজুল ইসলামের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণায় তার পড়ে থাকা বিপুল পরিমাণ জমিকে কাজে লাগানোর জন্যই বিশেষ পদ্ধতিতে আদা চাষ শুরু করেছেন লুৎফুর রহমান। তার এ প্রকল্পে সার্বক্ষণিক সহযোগীতা করছে বালাগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস।
সরেজমিনে দেখা যায়, আনুমানিক ১ একর জায়গা নিয়ে তৈরি এ প্রকল্পে ৬ হাজারটি বস্তায় বিশেষ পদ্ধতিতে আদা চাষ করা হয়েছে। বস্তায় আদা চাষের ফলে বন্যার পানি এবং নানা রোগবালাই থেকে রক্ষা পাবে আদার চারা। প্রকল্পটির উদ্যোক্তা লুৎফুর রহমান জানান, তার এই ৬ হাজার বস্তায় বিশেষ পদ্ধতিতে আদা চাষ প্রকল্পটি সিলেটের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রকল্প। এখন পর্যন্ত সিলেটের কোথাও বিশেষ পদ্ধতিতে একসাথে ৬ হাজার বস্তা আদা কেউই চাষ করেননি।
প্রতি বস্তায় ৫০-৭০ গ্রাম আদার বীজ রোপণ করা হয়েছে। ভালো ফলন হলে ৮-১০ মাসের মধ্যে এক থেকে দেড় কেজি পরিমাণ আদা উৎপাদন হবে বলে জানা গেছে। উৎপাদিত আদা প্রায় ৮-১০ লক্ষ টাকায় বিক্রী করার সম্ভাবনা রয়েছে।
৬ হাজার বস্তা আদা চাষে প্রাথমিক ভাবে ব্যয় হয়েছে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা।

ক্বারী মো. লুৎফুর রহমানের এই প্রকল্পে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প ২০২৪-২৫ অর্থবছর এবং ফ্লাড রিকন্সট্রাকশন ইমারজেন্সি এসিস্ট্যান্স প্রজেক্ট (ফ্রীপ) এর মাধ্যমে প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা সমমূল্যের উপকরণ দিয়ে সহযোগীতা করেছে বালাগঞ্জ উপজেলা কৃষি দপ্তর।

বালাগঞ্জ উপজেলা কৃষি দপ্তর জানিয়েছে, লুৎফুর রহমানের এই প্রকল্পটি ছাড়াও বালাগঞ্জ উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নে আরও ১ হাজার বস্তা করে প্রদর্শনী প্রকল্প করেছেন তারা।
এবার ভালো ফলন হলে আগামী প্রকল্পের পরিধি আরও বাড়ানো।হবে।

বালাগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান বলেন, বালাগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নে বস্তায় আদা চাষ প্রকল্পের সফলতা পাওয়া গেলে আমরা এগুলো নিয়ে আরও বড় পরিসরে কাজ করার চিন্তাভাবনা করবো।

শেয়ার করুন