১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২:১১ অপরাহ্ণ
আলোকিত সিলেট ডেস্ক : বাংলাদেশের রাজনীতি ও অর্থনীতি দুই ক্ষেত্রেই উজ্জ্বল নাম খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। মেধা, নিষ্ঠা ও পারিবারিক ঐতিহ্যের সমন্বয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সফল ব্যবসায়ী নেতা ও রাজনীতিবিদ হিসেবে। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়নে সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসন থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য তাঁর কর্মদক্ষতায় জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে নিয়েছেন।
১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তেতলী ইউনিয়নের আহমদপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের জন্ম। তাঁর পিতা প্রয়াত খন্দকার আব্দুল মালিক ছিলেন বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রতিষ্ঠাতা। পিতার জনসেবার আদর্শ বুকে ধারণ করেই মুক্তাদির রাজনীতিতে পা রাখেন। ব্যক্তিগত জীবনে তাঁর স্ত্রী জাকিয়া ইয়াসমিন, পুত্র খন্দকার আজওয়াদ আবরার এবং কন্যা খন্দকার রামিজা সামিহাত।
শিক্ষাজীবনে সিলেট ক্যাডেট কলেজ থেকে সফলভাবে স্কুলজীবন শেষ করে তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে (ফিন্যান্স) স্নাতকোত্তর, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে (সামাজিক বিজ্ঞান) স্নাতকোত্তর ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কলা বিভাগে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে খন্দকার মুক্তাদির বিএনপির নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসন থেকে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
রাজনীতির বাইরেও বাংলাদেশের পোশাক ও উৎপাদন শিল্পে পরিচিত ব্যক্তিত্ব খন্দকার মুক্তাদির। দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ টেরি টাওয়েল অ্যান্ড লিনেন ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি, ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (ডিসিসিআই) সাবেক পরিচালক, তুরস্ক-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সুবিধা কমিটির সদস্য। রপ্তানিমুখী ব্যবসায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকায় তিনি বেসরকারি খাতের উন্নয়ন এবং বাণিজ্য সহজীকরণে একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে সমাদৃত।
সিলেটের মাটি ও মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং জাতীয় পর্যায়ে নীতি-নির্ধারণী মেধার এই মেলবন্ধন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে আগামী দিনের বাংলাদেশের এক প্রতিশ্রুতিশীল নেতৃত্বে পরিণত করেছে।