শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৬ জুন ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ

‎এক মাসের মাছ ধরা বন্ধের সময়ে মৎস্যজীবীদের জন্য ভিজিএফ কর্মসূচি চালু হচ্ছে ‎:ড. মো. খালেদ কনক

আপডেট টাইম : জুন ৬, ২০২৬ ৮:২৭ অপরাহ্ণ



শেয়ার করুন

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক বলেছেন, হাওর অঞ্চল শুধু মাছের জন্য নয়, এটি জীববৈচিত্র্যের একটি অনন্য ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সিলেট অঞ্চলকে কীভাবে মৎস্য সমৃদ্ধ এলাকায় পরিণত করা যায়, সে বিষয়ে আমাদের একটি সুদূরপ্রসারী ও সার্বিক পরিকল্পনা নিতে হবে। এই বছর থেকে শুরু হওয়া এক মাসের মাছ ধরা বন্ধের সময়ে মৎস্যজীবীদের জন্য খুব শীঘ্রই ভিজিএফ (VGF) কর্মসূচি চালু হতে যাচ্ছে।

​শনিবার (৬ জুন ) সিলেটে আয়োজিত বিভাগীয় পর্যায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এসব কথা বলেন।
‎​হাওর অধ্যুষিত অঞ্চলে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়ন এবং ২৯ মে হতে ২৮ জুন (১৫ জ্যৈষ্ঠ হতে ১৪ আষাঢ়) পর্যন্ত এক মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধকরণ কার্যক্রম সফল করার লক্ষ্যে এই সভার আয়োজন করা হয়।সিলেট নগরীর মির্জাজাঙ্গালস্থ একটি অভিজাত হোটেলে, মৎস্য অধিদপ্তর, সিলেট বিভাগের আয়োজনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।‎সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে ​সভায় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তর, সিলেট বিভাগের পরিচালক মো. আসাদুল বাকী।

‎​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখে,সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) মো. নুরের জামান চৌধুরী,বিভাগীয় সমবায় দপ্তরের যুগ্ম নিবন্ধক মো. গিয়াস উদ্দিন,সিলেট জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেলুর রহমান এবং সিলেট রেঞ্জ নৌ-পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জহিরুল ইসলাম।

‎​’জাল যার, জলা তার’- সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ স্লোগানের কথা উল্লেখ করে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, “হাওর ও বিলগুলো কীভাবে আমরা প্রকৃত মৎস্যজীবীদের হাতে বুঝিয়ে দিতে পারি, সেই বিষয়টি সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে। মৎস্যজীবীদের সহায়তার বিষয়টি নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে রয়েছে।”

‎​সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সীমারানি বিশ্বাস। এরপর গোলাপগঞ্জ উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাসিবুর রহমান বিষয়ের ওপর একটি তথ্যবহুল প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। পরবর্তীতে মৌলভীবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমিনুল হকের সঞ্চালনায় এক প্রাণবন্ত মুক্ত আলোচনায় কারিগরি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। দক্ষিণ সুরমা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুনন্দা রানী মোদক এবং জুড়ী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় অংশীজনরা তাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরেন।

‎​সভায় বক্তারা নিষিদ্ধ সময়ে হাওরে সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ রাখতে মৎস্যজীবী, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।সভায় মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ,মৎস্য জীবি সমিতির নেতৃবৃন্দ ও মৎস্য চাষীগণ এবং প্রিন্ট,ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিক প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন