৮ এপ্রিল ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
সিলেটের জৈন্তাপুর তামাবিল হাইওয়ে থানায় বিশেষ কল্যাণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় থানা ভবনের হল রুমে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাইওয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ডিআইজি (প্রশাসন) ইমতিয়াজ আহমেদ, বিপিএম, পিপিএম।
মতবিনিময় সভার পূর্বে প্রধান অতিথি তামাবিল হাইওয়ে থানার সার্বিক প্রশাসনিক কার্যক্রম ও বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ও পুলিশ সদস্যদের কর্মতৎপরতা পর্যবেক্ষণ করেন। এর আগে প্রধান অতিথি থানা প্রাঙ্গণে পৌঁছালে হাইওয়ে পুলিশ সিলেট রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম ও তামাবিল হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সঞ্জয় চক্রবর্ত্তী তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। পরে পুলিশের একটি চৌকস দল প্রধান অতিথিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে।
হাইওয়ে পুলিশ সিলেট রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, হাইওয়ে পুলিশের প্রতিটি সদস্য মহাসড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় বদ্ধপরিকর। প্রধান অতিথির দিকনির্দেশনা অনুযায়ী আধুনিক, দক্ষ ও জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে সিলেট রিজিয়ন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমানো, যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করাই হাইওয়ে পুলিশের মূল লক্ষ্য।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। সড়ক নিরাপত্তায় আধুনিক ও কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে হাইওয়ে পুলিশ সাধারণ মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন এবং সেবার মান বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এর আগে মঙ্গলবার সকালে হাইওয়ে পুলিশ সুপার কার্যালয় পরিদর্শন করেন এবং আয়োজিত বিশেষ এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, হাইওয়ে থানার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সেই সাথে পুলিশ সদস্য সংখ্যাও বাড়বে। সড়ক নিরাপত্তায় এই ধরনের সময়োপযোগী উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের ব্যাপারে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় হাইওয়ে পুলিশ সিলেট রিজিয়নের সকল থানার অফিসার ইনচার্জ ও পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ ও থানার বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন ও মতবিনিময় শেষে প্রধান অতিথি মহাসড়ক ব্যবস্থাপনাসহ পুলিশের কল্যাণকর বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।