২৩ জুলাই ২০২৫, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
দিরাই প্রতিনিধি: ঐতিহ্যবাহী দিরাই সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৩ জুলাই) দুপুর ১২টায় বিদ্যালয়ের হল রুমে প্রধান শিক্ষক জাফর ইকবালের সভাপতিত্বে ও শরীরচর্চা শিক্ষক নুরুল ইসলামের পরিচালনায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সনজীব সরকার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ সূত্রধর এবং থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক। সহকারী প্রধান শিক্ষক লাল বাঁশী দাস স্বাগত বক্তব্য রাখেন। বক্তব্য রাখেন সিনিয়র শিক্ষক অজয় সিংহ রায়, সিনিয়র শিক্ষক জিতু মিয়া এবং সহকারী শিক্ষক গোলাম মোস্তফা সরদার। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষক আবু হেনা, রফিকুল ইসলাম, রুহেল সরদার, লাকী সঞ্চরিনী, তানজিনা সরকার, হাদিয়া আক্তার, দেবজোতি দাস, স্বপ্না রানী দাস এবং দিরাই প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈদুর রহমান তালুকদার প্রমুখ।
সভার শুরুতে ঢাকায় বিমান দূর্ঘটনায় মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজের নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সনজীব সরকার বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখান থেকেই একদিন ভাল বক্তা, ভাল ক্রীড়াবিদ, ভাল শিল্পী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, যারা পড়াশোনায় কম মেধাবী দেখা যায় তারা খেলাধুলায় পারদর্শী হয়ে থাকে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, শিক্ষার্থীদের মাধ্যমেই দিরাই সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সুনাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়বে। পড়াশোনার পাশাপাশি সুস্থ সুন্দর সংস্কৃতি ও খেলাধূলায় এগিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। খেলাধূলা জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং বিশ্বের দরবারে পরিচিতি লাভের সুযোগ করে দিতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেক প্রতিভা লক্ষ্য করছি, তাদের সামনে অনেকদূর এগিয়ে যেতে হবে এবং তাদের মেধা ও মননশীলতাকে কাজে লাগাতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদেরকে ফেইসবুক, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের বয়স কম, তারা এখনো সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার বয়সে পৌঁছায়নি। তাই তাদেরকে চলাফেরায় শিক্ষক ও পিতামাতার কথামতো চলতে হবে। যারা শিক্ষক ও পিতামাতার কথা মান্য করে, তারাই একদিন সমাজ ও দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনবে এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।