শুক্রবার (১৬ মে) বাদ আসর মাজার প্রাঙ্গনে প্রেস ব্রিফিং করে এসব কথা বলেন এসএমপি কমিশনার।
এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- নামাজ ব্যতীত কেউ যাতে কোথাও সিজদা না দিতে পারেন সেজন্য উপরে শাহজালাল রাহ. এর মাজারের সামনে ব্যানার টানানো হয়েছে। তবে মাজার এলাকার বিভিন্ন স্থানে এভাবে আরও ব্যানার টানানো প্রয়োজন। এ বিষয়ে মাজার কর্তৃপক্ষকে বলা হবে।
প্রেস ব্রিফিংকালে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, বন্দরবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মশতাক আহমদ খান, জাতীয় ইমাম সমিতি সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাব, হযরত শাহজালাল রাহ. তাওহিদি কাফেলার সদস্যসচিব মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ ও দারুস সালাম মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা নেয়ামাতুল্লাহ খাসদবিরি প্রমুখ।
এছাড়াও সেনাবাহিনী ও র্যাব-৯ এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, মাজার কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ কর্তৃক গঠিত ওরস তদারকি কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস ব্রিফিং শেষে মাজার ও মাজার প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন এসএমপি কমিশনার। এসময় তিনি আলেম-সমাজ, মাজার কর্তৃপক্ষ, সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
উল্লেখ্য, আগামী ১৮ ও ১৯ মে শাহজালাল রাহ. মাজারে ওরস অনুষ্ঠিত হবে। এরই মাঝে ভক্তবৃন্দ মাজারে আসতে শুরু করেছেন। অনেক ভক্ত নিয়ে এসেছেন গরু-ছাগলসহ মান্নতের জিনিসপত্র। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এরই মধ্যে পুলিশ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। নেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা।