3 February 2025, 11:28 PM
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেট মহানগরীর জিন্দাবাজারস্থ আল-হামরা মার্কেটে চুরির হওয়া স্বর্ণ উদ্ধার ও তিন জনকে গ্রেফতার। তোয়ালী মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে আল-হামরা শপিং সেন্টারের নূরানী জুয়েলার্স এ চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনার চোরাইকৃত স্বর্ণ উদ্ধার ও তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত ৯ জানুয়ারি আল হামরা শপিং সিটিস্থ বাজুস সিলেট জেলার শাখার সদস্য মো. জাভেদ চৌধুরীর মালিকানাধীন নুরানী জুয়োলার্সে চুরি হয়। দিনের বেলা চোরের প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা মূল্যের ২৫০ ভরি স্বর্ণ নিয়ে যায়। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
পরে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মান্যবর পুলিশ কমিশনার মোঃ রেজাউল করিম, পিপিএম-সেবার নির্দেশক্রমে কোতোয়ালী মডেল থানার কয়েকজন চৌকস অফিসারকে নিয়ে একটি স্পেশাল টিম গঠন করা হয়। তোয়ালী মডেল থানা পুলিশ তদন্তপূর্বক ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন, চুরি হওয়া স্বর্ণ উদ্ধার ও ঘটনায় জড়িত আসামীদেরকে গ্রেফতার করেন।
কুমিল্লার মুরাদনগর থানাধীন নেয়ামতপুরের বাসিন্দা নজরুল ইসলামের ছেলে ওছেক মিয়া ওরফে ওয়াছেক ওরফে আলমগীর (২৫)কে প্রথমে গ্রেপ্তার করেন। পরে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি উক্ত চুরির ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিলো মর্মে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কোতোয়ালী মডেল থানার স্পেশাল টিম গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে বিধি মোতাবেক তল্লাশীপূর্বক আসামীর দেখানো মতে ও তার হেফাজত থেকে নূরানী জুয়েলার্স হতে চোরাইকৃত স্বর্ণালংকার জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করেন। পরবর্তীতে উক্ত স্পেশাল টিম গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে নিয়ে তার দেখানো মতে উক্ত এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা জেলার হোমনা থানাধীন হোমনা বাজার হতে উল্লেখিত আল-হামরা মার্কেটে সংঘটিত চুরির ঘটনায় চোরাই স্বর্ণসহ কুমিল্লার পোদ্দারপাড় রোডের বাসিন্দা মৃত প্রাণকুমার দেবনাথের ছেলে ২নং আসামি সোহেল দেবনাথ (৪২) ও একই এলাকার বাসিন্দা মৃত মখবুরের ছেলে ৩নং আসামি মোঃ আবুল হোসেন (৫৩) গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত তিনজনের কাছ থেকে মোট ৫ ভরি ১২ আনা স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের বিজ্ঞ আদালতের উঠানো হয়েছে করা হয়েছে।