31 July 2022, 11:52 AM
নিজস্ব প্রতিবেদক :শীঘ্রই ফুল ফান্ড স্কলারশীপ নিয়ে পিএইচডি করতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন বিয়ানীবাজারের জুনায়েদ।
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী ও সিলেটের সীমান্তবর্তী জনপদ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের অপরূপ লীলাভূমি,প্রবাসী অধ্যুষিত বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামের আলোকিত সন্তান জুনায়েদ আহমদ ফুল ফান্ড স্কলারশীপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলিনার বিখ্যাত বিদ্যাপীঠ ক্লেমসন বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে ডক্টর অব ফিলোসোফি (পিএইচডি) ডিগ্রী অর্জনের জন্য শীঘ্রই যাত্রা করবেন।
সাম্প্রতিক সময়ে তার আবেদনের প্রেক্ষিতে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ক্লেমসন ইউনিভার্সিটিতে পড়শোনার যোগ্য হিসাবে মনোনীত হলে ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ তাঁকে সেখানে ভর্তি হয়ে গবেষণার মাধ্যমে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জনের জন্য আমন্ত্রণ জানায়।
তিনি আগামী ১৫ ই আগস্ট পিএইচডি ডিগ্রী অর্জনে ৪ বছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলিনার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন।
জুনায়েদ আহমদ উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের তাজপুর সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা আব্দুর রাজ্জাক দীর্ঘদিন সৌদি আরব প্রবাসে ছিলেন। দুই ভাইয়ের মধ্যে বড় ভাই হাফিজ শিব্বির আহমদ ইসলামী ব্যাংক বিয়ানীবাজার শাখায় কর্মরত।অপর ভাই ফয়সল আহমদ সাবেক ছাত্রনেতা এবং ইংল্যান্ড প্রবাসী।
জুনায়েদ আহমদ বিয়ানী বাজার জামেয়া থেকে ২০১২ সালে এসএসসি এবং বৈরাগী বাজার আইডিয়াল কলেজ থেকে ২০১৪ সালে জিপিএ ৫:০০ পেয়ে এইচএসসি পাশ করেন।সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স এবং একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্ল্যান্ট প্যাথলজিতে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন।
এছাড়াও তিনি সিলেটের জনপ্রিয় আইএলটিএস ট্রেইনিং সেন্টার ট্রাস্টের একজন জনপ্রিয় ট্রেইনার হিসেবে পরিচিত ।
জুনায়েদ আহমদ রক্ত দাতাদের সংগঠন বাঁধন, কৃষ্ণচূড়া সাংস্কৃতিক সংঘ সহ একাধিক সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।
জুনায়েদ বিভিন্ন সময়ে বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টে সহ বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকে বৃত্তি ও সম্মাননা স্মারক পেয়েছেন।
অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী জুনায়েদ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোসীফ ২০২০-২১ অর্জন করেন।
উল্লেখ্য, জুনায়েদ আহমদের বড় ভাই হাফিজ শিব্বির আহমদ ২০০৪ সালে দাখিল পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ ৫:০০,২০০৬ সালে আলিম পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ ৫:০০,অপর ভাই ফয়সল আহমদ ২০০৬ সালে দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ ৫:০০,২০০৮ সালে আলিম পরীক্ষায় জিপিএ ৫:০০
এবং একমাত্র বোন ইমরানা বেগম ২০১০ সালে দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ ৫:০০ পেয়েছিলেন।
এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপ কালে জুনায়েদের ভাই ফয়সল বলেন, পারিবারিক ভাবে এ সাফল্যের জন্য অবনত মস্তকে আল্লাহর শুকরিয়া জানাই।
নানামুখী সীমাবদ্ধতার জন্য আমরা এতদূর এগিয়ে যেতে পারিনি।জুনায়েদের সাফল্যের জন্য তাকে অভিনন্দন জানাই।আমাদের মা বাবা ভূমিকা অতুলনীয়।সেই সাথে তার শিক্ষকমন্ডলীসহ সকল শুভানুধ্যায়ীদের কৃতঙ্গতা জানাই।জুনায়েদের কর্মের মাধ্যমে যেন দেশ, মাটি ও মানবতা উপকৃত হয়, এই কামনা করি।বিয়ানীবাজার উপজেলাসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করি,যাতে জুনায়েদ দেশ-জাতির মুখ উজ্জ্বল করে স্বদেশে ফিরে এসে দেশের কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে।