শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২১ এপ্রিল ২০২২, ১:১২ পূর্বাহ্ণ

জৈন্তাপুরে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক শত মিটার মহাসড়ক নদী গর্ভে, বড় দূর্ঘটনার আশংকা

আপডেট টাইম : এপ্রিল ২১, ২০২২ ১:১২ পূর্বাহ্ণ



শেয়ার করুন

মোঃ সাজ উদ্দিন সাজু, জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: সিলেট তামাবিল মহাসড়কের প্রায় একশত মিটার রাস্তার অর্ধেক জুড়ে ভাঙ্গনের দেখা দিয়েছে৷ যার ফলে যেকোনো মুহুর্তে ঘটতে পারে আরও বড় ধরনের দূর্ঘটনা৷ সংশ্লিষ্ট সড়ক প্রশাসন দায়সারা পরিদর্শন৷ শাকদিয়ে মাছ ঢাকার ব্যবস্থা গ্রহণ৷

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের সারিঘাট এলাকার সারি ব্রিজের পশ্চিম অংশে পুড়াখাই নদী হতে কিছুদিন পূর্বে একশ্রেণির অর্থলোভী বালুখেকুরা সড়ক ও জনপথের কতিপয় কর্মীদের যোগসাজেসে গভীর খনন করে বালু উত্তোলন করে৷ বালু উত্তোলনের সময় স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টি স্থানীয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক সহ বিষয়টি তুলে ধরলেও বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি৷ এমনকি সরেজমিন পরিদর্শন করেনি সড়ক ও জনপথের কোনো কর্তাব্যক্তিরা৷

এদিকে কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সারি নদীর পানি পুড়াখাই নদী দিয়ে উল্টা প্রবেশ হওয়ার কারণে রাস্তা এই অংশ কোনো চাপ পড়েনি৷ অপরদিকে পাহাড়ি ঢলের সৃষ্টি পানি নেমে যাওয়ায় কারণে পুড়াখাই নদীর পানি নামতে শুরু করলে ২০ এপ্রিল বুধবার সকাল ০৯:০০ ঘটিকায় সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের পুড়াখাই নদী সংলগ্ন প্রায় ১শত মিটার রাস্তার গার্ড ওয়াল সহ ভেঙ্গে যায়৷ আরও ২শতাধিক মিটার এলাকায় ফাটল দেখা দিয়েছে। আরও জানা যায়, ঐ স্থানে সুরুচি নামে একটি রেস্টুরেন্ট থাকায় জাফলং ও তামাবিল থেকে সিলেটগামী সকল লোড ট্রাক ঐখানে থেমে ড্রাইভার-শ্রমিকরা হোটেলে ভাত খায় এবং বিভিন্ন অবৈধ খেলাধুলা করে। ফলে পুড়াপাই নদীর পাশে পশ্চিম সাইড দিয়ে বেশিরভাগ গাড়ি যাতায়াত করে। এলাকাবাসী ঐ জায়গা থেকে হোটেল এবং অবৈধ পার্কিং বন্ধের জোর দাবি জানান।

মহাসড়কের অংশ ধসে যাওয়ার ঘটনায় সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সড়ক ও জনপদের বিভাগীয় কর্মকর্তাগণ৷ তারা ভাঙ্গন টেকাতে বাঁশের খুটি পুতে বেড়া দিয়ে সাময়িক ভাঙ্গন রোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন৷ কাল বৃহস্পতিবার সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী সরেজমিন পরিদর্শন করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে৷

এবিষয়ে সড়ক ও জনপথের সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সাইফুর ইসলাম বলেন, ঘটনার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ছুটে এসে রাস্তার আর কোনো অংশের ক্ষতি না হয় সেজন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি৷ বিষয়টি নির্বাহী প্রকৌশলীকে জানানো হয়েছে৷ তিনি কাল বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন৷ পুড়াখাই নদীর এই অংশ হতে বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমার জানা নেই৷ কেউ আমাকে জানায়নি৷ তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে তিনি জানান৷

শেয়ার করুন