,

27 July 2022, 8:17 PM

বুলবুল খুনের ঘটনায় আদালতে আসামীর দোষ স্বীকার,হত্যকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার, পুলিশের প্রেস ব্রিফিং

আপডেট টাইম : July 27, 2022 8:17 PM



শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক :সিলেটে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বুলবুল খুনের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামী আবুল হোসেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ২ এর বিচারক সুমন ভৃঁইয়ার নিকট ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেছে।এ তথ্য জানিয়েছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ।

বুধবার সন্ধ্যায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া এন্ড কমিউনিটি সার্ভিস) বি, এম, আশরাফ উল্যাহ তাহের গণমাধ্যমে প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা জানান।

শাবিপ্রবি ছাত্র খুনের এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মামলা নং-২৮/১৭৯, তারিখ-২৬/০৭/২০২২ইং ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০;জালালাবাদ থানা, এস এম পি, সিলেট।

পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গত ২৫ জুলাই সোমবার রাত অনুমান ৮ ঘটিকার শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসের ভিতরে অবস্থিত গাজী কালু টিলার ঢালুতে কে বা কাহারা শাবিপ্রবি’র ছাত্র নিহত বুলবুল কে অতর্কিত আঘাত করে গুরুতর আহত করেছে। আহত ছাত্রকে তার সহপাঠীরা তাৎক্ষনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে সে মৃত্যুবরণ করে।
নিহত শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর পূর্ণাঙ্গ নাম মোঃ বুলবুল আহমদ (২২), পিতা- ওহাব মিয়া, গ্রাম-চিনিশপুর নন্দীপাড়া, থানা- নরসিংদী সদর, জেলা- নরসিংদী। সে লোক প্রশাসন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিল। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে ভিকটিম মৃত বুলবুল আহমদ এর সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে এবং লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়। পরবর্তী উক্ত ঘটনায় শাবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ অজ্ঞাতনামা একাধিক দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করেন।

দায়েরকৃত মামলার ভিত্তিতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনার তদন্ত প্রকাশ্য ও গোপনে এবং গ্রেফতার অভিযান শুরু করে এবং ঘটনাস্থলের আশপাশ এলাকা হতে ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজন ০৩ জন ব্যক্তিকে আটক করে। আটককৃত ০৩ জন ব্যক্তিকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে আটককৃত ব্যক্তি মোঃ আবুল হোসেন (১৯), পিতা- মোঃ আনিছ আলী, মাতা- শিরিনা বেগম, সাং-টিলারগাঁও, থানা- এয়ারপোর্ট, সিলেট ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। আটককৃত আবুল হোসেন এর জবানবন্দীর ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িত আরও ০২ জন আসামী ১। কামরুল আহমদ (২৯), পিতা- মোঃ গোলাব আহমদ, মাতা- মোছাঃ সুফিয়া বেগম, ২। মোঃ হাসান (১৯), পিতা- মৃত তছির আলী, মাতা- মৃত আরিজা বেগম, উভয়সাং- টিলারগাঁও, থানা- এয়ারপোর্ট জেলা-সিলেটদ্বয়কে গ্রেফতার করা হয়।আসামীদ্বয়কে গ্রেফতার করার পর তাদের কাছ থেকে হত্যকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি, ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।সিলেটে মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রেস ব্রিফিং এ তা জানানো হয়।প্রেস ব্রিফিং এ বক্তব্য রাখেন, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (উত্তর) মোঃ আজবাহার আলী শেখ পিপিএম।এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি(মিডিয়া)বি, এম, আশরাফ উল্যাহ তাহের, উপ-পুলিশ কমিশনার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত জ্যোতির্ময় সরকার পিপিএম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডমিন-উত্তর) মোঃ সামছুদ্দিন ভূঁইয়া, সহকারী পুলিশ কমিশনার( জালালাবাদ থানা) মোঃ নাজমুল হুদা খান, অফিসার ইনচার্জ, জালালাবাদ থানা, মোঃ আবু খালেদ মামুন, পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত), জালালাবাদ থানা, তদন্তকারী অফিসার এসআই(নিঃ)/দেবাশীষ দেব।

শেয়ার করুন