১৭ অক্টোবর ২০২৫, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
ভোলাগঞ্জ ১০নং সাদা পাথর এলাকার গেজেটেড স্থল বন্দর, নদী বন্দর এবং পর্যটন ঘাটের সীমারেখা নির্ধারণ এবং মহাসড়কে অবৈধ পার্কিং ও অযৌক্তিক টোল আদায় বন্ধের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর বাস-মিনিবাস কোস্টার মালিক ও পরিবহন শ্রমিকদের প্রতিনিধি আবেদন করে।
বৃহস্পতিবার ১৬ অক্টোবর বাস-মিনিবাস কোস্টার মালিক ও পরিবহন শ্রমিকদের প্রতিনিধি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে আবেদন করে বলেন, আমরা সিলেট ও কোম্পানীগঞ্জের বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বাস-মিনিবাস কোস্টার মালিক ও পরিবহন শ্রমিকদের প্রতিনিধি হিসেবে সাদা পাথর পর্যটন কেন্দ্রে বিদ্যমান গুরুতর প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা ও পরিবহন অব্যবস্থাপনা নিয়ে আপনার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
বর্তমানে মহাসড়কে অবৈধ টোল আদায় ও যান চলাচলে বাধা, মহাসড়ক ও মূল সড়কের ওপর অবৈধভাবে গাড়ি পার্কিং করা হয়, যা যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করে। এর ওপর, সাদাপাথর পর্যটন ঘাটের লিজ/ইজারাদার পক্ষ পার্কিং অবস্থা থেকেই প্রতিটি বাস-মিনিবাস কোস্টার থেকে অযৌক্তিক হারে(মাইক্রোবাস ১২০/-বাস ২০০.০০ পর্যন্ত) টোল আদায় করছে।প্রশাসনিক সীমারেখার অস্পষ্টতা ভোলাগঞ্জ ১০নং বা সাদা পাথর মাঠ নামীয় এলাকাটি স্থল বন্দর, নদী বন্দর এবং পর্যটন ঘাটএই তিনটি ভিন্ন প্রশাসনিক কাঠামোর আওতাভুক্ত হিসেবে গেজেটেড। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই তিন অংশের সুনির্দিষ্ট সীমারেখা আজ পর্যন্ত নির্ধারিত না থাকায় তিনটি ভিন্ন প্রশাসনিক আওতা নিয়ে মারাত্মক আইনি জটিলতা ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই বিভিন্ন পক্ষ অবৈধভাবে পার্কিং টোল আদায় করে আমাদের হয়রানি করছে, যা আমাদের ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণ হচ্ছে এবং পর্যটকরা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।
তাই জনস্বার্থে এবং পরিবহন ব্যবস্থার শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে অতিদ্রুত ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করবেন।
তাদের দাবী: ক)স্থল বন্দর, নদী বন্দর ও পর্যটন ঘাটের গেজেট মোতাবেক সুনির্দিষ্ট সীমারেখা অবিলম্বে চিহ্নিত করে তা কার্যকর করা।
খ) মহাসড়ক ও মূল সড়কে অবৈধ পার্কিং ও যানবাহন থেকে টোল আদায় অবিলম্বে বন্ধ করা।
গ) বাস-মিনিবাসের জন্য একটি নির্দিষ্ট ও চিহ্নিত পার্কিং জোন স্থাপন করে সরকারি গেজেট অনুযায়ী একটি ন্যায্য ও যৌক্তিক ফি নির্ধারণ করা।