,

21 June 2025, 8:23 PM

সিলেটের মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে প্রকল্প সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে : মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

আপডেট টাইম : June 21, 2025 8:23 PM



শেয়ার করুন

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুর রউফ বলেছেন, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য উন্নতমানের পোনা অপরিহার্য। তবে জলাশয় ভরাট, পরিবেশ দূষণ ও অন্যান্য কারণে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ব্যাহত হওয়ায় আগের মতো পর্যাপ্ত পোনা পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে পোনা উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে সিলেটে মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে আরও বেশি সংখ্যক প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে।

তিনি শনিবার (২১ জুন) সিলেটে অনুষ্ঠিত এক আঞ্চলিক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। “বিদ্যমান সরকারি মৎস্য খামারসমূহের সক্ষমতা ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (১ম পর্যায়)”-এর আওতায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। সিলেট জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় এ কর্মশালার আয়োজন করে, যেখানে জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের মৎস্য চাষী ও উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করেন। নগরীর মির্জাজাঙ্গালে অবস্থিত নির্ভানা ইন কমপ্লেক্সের কনফারেন্স হলে এ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট বিভাগের মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আসাদুল বাকী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগের মৎস্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আশরাফুজ্জামান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক মো. মশিউর রহমান। সিলেট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সীমা রাণী বিশ্বাস স্বাগত বক্তব্য দেন। কর্মশালার শুরুতে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুর রউফ আরও বলেন, পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে নির্মিত সরকারি মৎস্য খামারগুলোর অবকাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও উত্তম ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মৎস্য চাষে বিপ্লব আনা সম্ভব। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলার মাধ্যমে মৎস্য সম্পদ রক্ষার ওপরও তিনি জোর দেন। তিনি কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী মৎস্য খামারীদের সমস্যা সমাধানে আশ্বাস দেন।

অন্যান্য বক্তারা বলেন, জুলাই ২০২৪ থেকে জুন ২০২৮ পর্যন্ত চার বছর মেয়াদী এ প্রকল্প মৎস্য অধিদপ্তরের নেতৃত্বে সফল হবে বলে তারা আশাবাদী। কর্মশালায় সিলেট জেলার বিভিন্ন মৎস্য কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন