১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১:০২ পূর্বাহ্ণ
মাহফুজ কাউসার ছাদি : আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান বলেছেন,৩২ নম্বর বাড়ী ছিল মুজিববাদের মন্দির।জনগণ এটি ভেঙ্গে দিয়েছে।তিনি বলেন, স্বৈরশাসকের বাড়ি ভাঙাই ইতিহাসের অলিখিত নিয়ম।৩২ নম্বর ভাঙার মাধ্যমে এবং UN এর রিপোর্ট প্রকাশের মাধ্যমে আওয়ামীলীগের পলিটিক্সের কবর রচিত হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, সিভিল সোসাইটির কাজ হল জনগণের সাথে দাঁড়িয়ে জনগণের পক্ষে কথা বলা। এদেশে সিভিল সোসাইটির বাংলা অর্থ করা হয়েছে সুশীল সমাজ। যা নিতান্তই ভূল।রাষ্ট্রের বাইরে দাঁড়িয়ে যারা জনগণের পক্ষে কথা বলে তারা সিভিল সোসাইটি। দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশ জন্মের পর থেকে জনগণের কথা বলার সিভিল সোসাইটি তৈরি হয়নি। এখানে একটি হিন্দুত্ববাদী সিভিল সোসাইটি তৈরি হয়েছে। যারা মূলত বাংলাদেশের সংস্কৃতি এবং বাঙালি মুসলমানদের আইডেন্টিটি নষ্ট করার জন্য কাজ করেছে।
শনিবার (১৫ ই ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪ টায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটরিয়ামে বিপ্লবী সাংস্কৃতিক মঞ্চ,শাবিপ্রবি আয়োজিত আধিপত্যবাদবিরোধী জাতীয় কনভেনশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, পলিটিক্যাল সাইন্সে বন্ধু রাষ্ট্র বলতে কোন কথা নেই, শত্রু রাষ্ট্র আছে। আর শত্রু রাষ্ট্র আছে বলেই প্রতিটি দেশে সীমান্তরক্ষী বাহিনী রয়েছে এবং প্রতিটি রাষ্ট্রে সীমানা নির্ধারণ করা হয়।তিনি বলেন, প্রতিটি গণঅভ্যুত্থান- এর শক্তি গণ-অভ্যুত্থানের পরাজিত শক্তিগুলোকে বুলডেজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়াটাই অভ্যুত্থান- এর স্পিরিট। তিনি হিটলারের ফ্যাসিবাদী নাৎসী পার্টির প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, নাৎসী পার্টি এখনো ফিরে আসেনি। তাই আওয়ামীলীগও ফিরে আসতে পারবেনা। আ’লীগের দালালদের কবরে জাতিসংঘের রিপোর্ট বেঁধে দেয়া উচিত।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ছাত্র জনতার লড়াই ছিল মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লড়াই। অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই। তারা শুধু বিজয়ী হতে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেনি। কিংবা চাকরি বা কোটার জন্য নয়। লড়াই হয়েছে জাতি গঠনের জন্য, মানুষের মর্যাদা পুনরুদ্ধারের জন্য।
একচুয়ারী বাংলাদেশের সিইও আহমদ ইমরান হাসান লস্কর এর সভাপতিত্বে এবং সাংস্কৃতিক মঞ্চের সংগঠক এম তানজিল হাসান এর সঞ্চালনায় আধিপত্যবাদবিরোধী জাতীয় কনভেনশনে আরো বক্তব্য রাখেন, ইনকিলাব মঞ্চের সংগঠক শরীফ ওসমান বিন হাদী, শিক্ষাবিদ কর্নেল আলী আহমদ, শাবি প্রফেসর নজরুল ইসলাম,প্রফেসর রবিউল ইসলাম,সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলজার আহমদ হেলাল,দৈনিক জালালাবাদ সম্পাদক মুকতাবিস উন নুর, ডা. এইচ এম ইকবাল,বিশ্ববিলয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার আহমদ মাহবুব ফেরদৌস,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আসাদুল্লাহ আল গালিব,ফয়সাল হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির এর সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম সুজন, মুমিনুল রশিদ শুভ, আজাদ শিকদার, জাতীয় নাগরিক কমিটির সৈয়দ আফসানা মুনা, প্রবাসী কমিউনিটি নেতা আব্দুল করিম জলিল ও শাহীন আহমেদ প্রমূখ।
আলোকিত সিলেট /এস এস