,

18 April 2022, 3:54 AM

রামপ্রসাদ-দরবস্ত রাস্তার কাজে নানা অনিয়ম রহস্যজনক কারণে এলজিইডি ব্যবস্থা নেননি

আপডেট টাইম : April 18, 2022 3:54 AM



শেয়ার করুন

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত-রামপ্রসাদ রাস্তার পাকাকরণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও অসঙ্গতি নিয়ে এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলেছেন। জৈন্তাপুর উপজেলা এলজিইডি অধিদপ্তরকে জানালে কোনো প্রতিকার ব্যবস্থা গ্রহণ হচ্ছে না৷ এলাকাবাসীর দাবী রাস্তা নির্মানের ০৬ মাস থাকবে কিনা রয়েছে রহস্য।

এলাকাবাসীর সংবাদের ভিত্তিত্বে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কন্টাকটার নিজের ইচ্ছা মাফিকভাবে কাজের নির্ধারিত নিময় না মেনেই পলিমাটি মিশ্রিত বালু, পঁচা ইটের খোয়া এবং পরিত্যাক্ত মানহীন ইট হেজাং হিসেবে ব্যবহার করে রাস্তার কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া রাস্তার কাজের সময় উপজেলা এলজিইডির একজন কর্মকর্তা সার্বক্ষণিক তদারকির দায়িত্বে থাকলেও সেখানে কোনো তদারকি কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। কাজের মান নিয়ে এলাকাবাসী হাবিবুর রহমান, জামাল উদ্দিন, ফখর আহমদ, মাহবুব আহমদ, মখলিছ আহমদ, সালাম উদ্দিন, মান্নান উদ্দিন, হারুন রশিদ, সাদ উল্লাহ, মাওলানা নুরুল ইসলাম, সাজু আহমদ প্রশ্ন তুলেও কোন কিছুর তোয়াক্কা না করেই বন্ধের দিন শুক্রবার ও শনিবার বেশি শ্রমিক নিয়োগ করে দ্রুত গতিতে কাজ করেছে টিকাদারী প্রতিষ্ঠান। এনিয়ে প্রতিবেদক দুই দফা উপজেলা প্রকৌশলী এ. কে. এম রিয়াজ মাহমুদ নিকট কাজের তথ্য সম্পর্কে ও মালামালের জানতে চাইলে তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

উপজেলা প্রকৌশলী এ. কে. এম রিয়াজ মাহমুদ কাজে রাস্তার কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে নিম্নমানের সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার কথা বলে এসেছি। কিন্তু সরেজমিনে দ্বিতীয় দফা এলাকাবাসীর অনুরোধে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় নিম্নমানের (মানহীন) সামগ্রী পঁচা ইটের খোয়া, নাম্বার বিহীন ইট ও পলি মিশিত বালু দিয়ে রাস্তার হেজাং হিসেবে দেদারছে ব্যবহার করে যাচ্ছে টিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি। এলাকাবাসীর দাবী এভাবে কাজ করার চাইতে না করাই ভালো। তারা বলেন, স্থানীয় এলজিইডি কর্মকতা উপস্থিত থেকেই কাজ করার ফলে ০৬ মাস যাওয়ার আগেই রাস্তাটি পুনরায় পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে। তারা আরও বলেন, বিষয়টি মাননীয় সংসদ সদস্য ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদোশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইমরান আহমদ এম.পি, সিলেটের জেলা প্রসাশক, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা এলজিইডি বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সহ জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

জৈন্তাপুর উপজেলা প্রকৌশলী এ. কে. এম রিয়াজ মাহমুদ বলেন, আমি বিষয়টি দেখছি। এর আগেও তাদেরকে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে নিতে বলেছে। তবে বন্ধের দিন কাজের কথা তিনি অস্বীকার করেন।

শেয়ার করুন