বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৪ মার্চ ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ণ

সরিষাকান্দা ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন

আপডেট টাইম : মার্চ ২৪, ২০২৬ ৬:৫০ অপরাহ্ণ



শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার : সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার সরিষাকান্দা ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত বছর পূর্তি অনুষ্ঠান আজ ২২ মার্চ ২০২৬, রোববার অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়টির শত বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত স্মারক সম্মাননা প্রদান ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুদয়াল সরকারি কলেজের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক মোঃ শাহাদত হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুল হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসকেএফ এর পারচেজ এন্ড সাপ্লাই চেইনের এজিএম তৌহিদুল হক হাবি ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী মোঃ জসিম উদ্দিন।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন খাদ্য বিভাগের উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম, বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের হিসাব রক্ষক মোঃ মাকসুদ আলম মুসা, শ্রেষ্ঠ জয়িতা মা পুরস্কারপ্রাপ্ত জ্যোৎস্না বেগম, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী জহিরুল ইসলাম রানা, ডাঃ নয়ন মিয়া, সাইদুর রহমান, তামিম আহমেদ সুজন, ওয়াহেদুর রহমান মুরাদ, তামিম আহমেদ অলিউল্লাহ, তফাজ্জল হোসেন রাকিব, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সারোয়ার হোসেন, ডাঃ ফজলুল হক, গোলাম কিবরিয়া ও শহীদুল হক। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আব্দুল্লাহ আল কাউছার ও রাকাব উদ্দিন শিশির।

সকাল ১১টায় কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ আনাস। উল্লেখ্য, সরিষাকান্দা ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আড়াইশো প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী উক্ত শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অধ্যাপক মোঃ শাহাদত হোসেন বলেন, দৃঢ় ইচ্ছা থাকলে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব। এই বিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষার্থী সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য রেখে পরিশ্রম করে গেছেন তারা প্রত্যেকেই কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পেরেছেন। নানা প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে নিজের জীবনকে যেমন সুন্দর করেছেন, তেমনি গ্রামের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাস এবং গ্রামের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাফল্য তুলে ধরেন।

বিশেষ অতিথি তৌহিদুল হক হাবি বলেন, অতীতে বিদ্যালয়ের পড়াশোনার মান অনেক ভালো ছিল। কিন্তু সম্প্রতি তা নিম্নমুখী। সেজন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ ও পরিচালনা কমিটিকে আরো আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। বিশেষ অতিথি জসিম উদ্দিন বলেন, এ বিদ্যালয়ের স্মৃতি আমাদের হৃদয়ের মনিকোঠায় গচ্ছিত রয়েছে। আমৃত্যু আমরা এ বিদ্যালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব।

আলোচনা শেষে আড়াইশো শিক্ষার্থীদের মধ্যে শতবর্ষ পূর্তি স্মারক সম্মাননা হিসেবে প্রত্যেককে ক্রেস্ট প্রদান করা হয় এবং উপস্থিত সবাইকে আপ্যায়ন করা হয়।

শেয়ার করুন