বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৬ এপ্রিল ২০২৫, ৯:১৭ অপরাহ্ণ

আরব আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে গড়ে উঠবে আধুনিক স্পোর্টস হাব: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

আপডেট টাইম : এপ্রিল ৬, ২০২৫ ৯:১৭ অপরাহ্ণ



শেয়ার করুন

দেশের ৮ বিভাগে আধুনিক স্পোর্টস হাব গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহযোগিতায় এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

আজ রোববার জাতীয় স্টেডিয়ামে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস ২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলোচনায় তিনি এ তথ্য জানান।

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে একটি কেন্দ্রীয় স্পোর্টস ভিলেজ বা হাব তৈরির পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু নানা সীমাবদ্ধতার কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। এবার ক্রীড়া বিকেন্দ্রীকরণের অংশ হিসেবে দেশের ৮ বিভাগেই আধুনিক স্পোর্টস হাব গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

তিনি জানান, প্রথমে চীনের সঙ্গে আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাত এই প্রকল্পে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আরব আমিরাত সফরের সময় এই বিষয়টি উত্থাপন করা হবে।

স্পোর্টস হাব নির্মাণে আনুমানিক ব্যয় কত হবে—এ প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা বলেন, “এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে আশা করা হচ্ছে, আগামী অর্থবছরেই কাজ শুরু করা যাবে।”

এদিন সকালে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস ২০২৫ উপলক্ষে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে একটি র্যলি অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনের সামনে থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে জাতীয় স্টেডিয়ামে গিয়ে শেষ হয়। র্যালিতে দেশি-বিদেশি ক্রীড়া সংস্থা, ফেডারেশন, অ্যাসোসিয়েশন, ক্রীড়া সংগঠক ও খেলোয়াড়রা অংশ নেন।

র্যালি শেষে জাতীয় স্টেডিয়ামে সুবিধাবঞ্চিত অনুর্ধ্ব-১৭ শিশুদের ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিভাগ ফাইনাল খেলে। এবারের ক্রীড়া দিবসের স্লোগান ছিল— “তারুণ্যের অংশগ্রহণ, খেলাধুলার মানোন্নয়ন”।

স্পোর্টস হাব প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানো ও নতুন প্রতিভা বিকাশের পথ সুগম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। এই উদ্যোগ বাংলাদেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।

এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তরুণ প্রজন্মের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ সুবিধা তৈরি হবে, যা বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

শেয়ার করুন