১৮ আগস্ট ২০২৫, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে বদলি হওয়ায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমানকে বিদায় সংবর্ধনা জানানো হয়েছে। রবিবার (১৭ আগস্ট) বিকেল ৫টায় নগরভবনের সম্মেলন কক্ষে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের সভাপতিত্বে ও সচিব মো. আশিক নূরের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমান খান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ উল্লাহ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আলী আকবর, নির্বাহী প্রকৌশলী রাজি উদ্দিন খান, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আ ন ম মনছুফ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা হানিফুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী অংশুমান ভট্টাচার্য এবং উপসহকারী প্রকৌশলী এটিএম সাইদুর রহমান।
বিদায় সংবর্ধনায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ দেব, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারিয়া সুলতানা, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, প্রধান এসেসর মো. আব্দুল বাছিত, ট্যাক্সেশন অফিসার জামিলুর রহমান, লাইসেন্স কর্মকর্তা মো. রুবেল আহমদসহ সিসিকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
সভাপতির বক্তব্যে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার নূর আজিজুর রহমানকে একজন দক্ষ ও কর্মঠ ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ২০০৩ সাল থেকে প্রায় দুই দশক ধরে নূর আজিজুর রহমান সিলেটবাসীকে সেবা দিয়েছেন। পৌরসভা থেকে সিটি কর্পোরেশনে উত্তরণ এবং এর উন্নয়নে তার ভূমিকা অপরিসীম। সিলেটের রাস্তা, ফুটপাত, ড্রেনেজ, ভূগর্ভস্থ পাইপলাইন, বৈদ্যুতিক বাতি সহ সকল উন্নয়ন প্রকল্পে তার অবদান রয়েছে। শহরের প্রতিটি প্রান্তে তার পদচিহ্ন পড়েছে। তিনি শুধু প্রকৌশলেই নয়, সব ক্ষেত্রেই সমান দক্ষতা দেখিয়েছেন। বর্তমানে সিসিকে মেয়র বা কাউন্সিলর না থাকায় কর্মকর্তাদের ওপর চাপ বেশি, এমন সময় তার মতো অভিজ্ঞ ব্যক্তির বিদায়ে সকলে ব্যথিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঢাকা দক্ষিণে নিয়োজিত থেকেও নূর আজিজুর রহমান সিলেটের জন্য কাজ করবেন।
সংবর্ধিত অতিথি নূর আজিজুর রহমান আবেগ প্রকাশ করে বলেন, সিলেটের মানুষ ও সহকর্মীদের ভালোবাসা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তিনি স্মরণ করেন, সিসিক প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে রাজনৈতিক প্রতিবন্ধকতা ও রাজস্ব আয়ের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তিনি একটি সুন্দর, আধুনিক ও পরিকল্পিত সিলেট গড়তে কাজ করেছেন। তিনি সিলেটবাসীকে নিজের আত্মীয়ের সাথে তুলনা করেন এবং তার কাজের মূল্যায়ন তাদের কাছেই ছেড়ে দেন।