বুধবার, ৩রা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ৮:২৯ অপরাহ্ণ

সিলেট স্টেডিয়ামে কুস্তি প্রতিযোগিতা এবং কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা যাতে জড়িয়ে পড়েন তৎকালীন পৌর চেয়ারম্যান

আপডেট টাইম : ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২ ৮:২৯ অপরাহ্ণ



শেয়ার করুন

আবু তালেব মুরাদ

কুস্তি একটি যুদ্ধের খেলা। এই খেলা বিনোদনের জন্য, বা প্রকৃতপক্ষে প্রতিযোগিতামূলকও হতে পারে। একটি কুস্তি প্রতিযোগিতায় দুজন প্রতিযোগী অংশ নেয় – দুজনেই নিজের শারীরিক ক্ষমতার শ্রেষ্ঠত্ব দেখানোর চেষ্টা করে। সাধারণত কুস্তিতে অংশগ্রহণকারী দুই প্রতিযোগিই সমান শক্তি ও শরীরের অধিকারী হন। কুস্তি বিভিন্ন নিয়ম মেনে খেলা হয় – উভয় ঐতিহ্যগত ঐতিহাসিক শৈলী এবং আধুনিক শৈলী। কিন্তু সেই কুস্তি খেলা যদি পূর্বে সিদ্ধান্ত নিয়ে নাটকে রূপান্তরিত হয় তাহলে তা দর্শকদের উল্লু বানানো ছাড়া আর কিছু নয়।
এমনি এক‌টি ঘটনা ঘটেছিল সিলেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের নাসের ভুলু আসার পরের বছরে।১৯৮২ সালের ঘটনা। হয়তোবা অনেকের মনে আছে,পাশাপাশি মনে আছে সিলেট পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান বাবরুল হোসেন বাবুল ও তাঁর সহধর্মিণী ক্রীড়াবিদ রানা ফেরদৌসের কথা।আমি,আমার বড় ভাই(জাহাঙ্গীর), বাবুল ভাই এবং রানা ফেরদৌস সহ অনেকে সামনের সারিতে বসা।ঐদিন আমি ও আমার বড় ভাইয়ের মনটা বেশ ভাল ছিলনা কারন স্টেডিয়ামে ঢুকার সময় ভাইয়ের বেশ দামী ঘড়িটা হাত থেকে উধাও হয়ে যায়।যাক আমার পরিস্কার মনে আছে উক্ত দিনের কুস্তি ছিল নাটকীয় কুস্তি। নাম মনে নাই পাকিস্তানের দুইজন কুস্তিগীর, প্রতিযোগিতার এক ফাঁকে একজন অন্যজনের ওপর চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ি করতে গিয়ে চেয়ার এসে পড়ে রানা ফেরদৌস এর পায়ে,মারাত্মকভাবে আহত হন রানা ফেরদৌস,সাথে সাথে তীব্র প্রতিবাদী বাবরুল হোসেন বাবুলের হাত পরিনত হয়, কুস্তি যোদ্ধাদের দিকে মুষ্টি যুদ্ধে। পুলিশ রক্ষা করতে থাকে কুস্তিগীরদের। নিমিষেই মঞ্চ ভাংচুর, দেয়া হয় অগ্নিসংযোগ।প্রতিযোগিতার শুরুতেই ঘটনা, খেলা হয়ে যায় বাতিল।লস গুনতে হয় আয়োজকদের। এরপর সিলেটের মাটিতে কুস্তি প্রতিযোগিতা হয়েছে বলে আমার জানা নাই।

শেয়ার করুন