,

7 February 2026, 8:38 AM

বিগত ১৭ বছরে জৈন্তাপুরে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি, পরিবর্তনের ডাক আরিফুল হক চৌধুরীর

আপডেট টাইম : February 7, 2026 8:38 AM



শেয়ার করুন

সুয়েব রানা: জৈন্তাপুর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেট ৪ আসনে বিএনপি জমিয়ত ঐক্যজোট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী জৈন্তাপুর উপজেলায় দিনব্যাপী গণসংযোগ ও পথসভায় অংশ নিয়ে এলাকার দীর্ঘদিনের বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরেন।

৬ ফেব্রুয়ারি জৈন্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকায় আয়োজিত পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে জৈন্তাপুর উপজেলা পরিকল্পিত উন্নয়নের কোনো বাস্তব সুফল পায়নি। উন্নয়নের নামে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, অথচ সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। এই সময়টায় একটি গোষ্ঠী জৈন্তাপুরের সম্পদ লুটপাটে ব্যস্ত ছিল, জনস্বার্থ ছিল উপেক্ষিত।

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, জৈন্তাপুরের রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবার অবস্থা এখনও অত্যন্ত নাজুক। দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থেকেও মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে কোনো আন্তরিকতা দেখানো হয়নি। জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের পরিবর্তে রাজনৈতিক স্বার্থকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশ থেকে গুম, হত্যা ও নির্যাতনের রাজনীতি দূর করতে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। গত ১৭ বছরে দল ও দেশের জন্য জাতীয়তাবাদী দলের অসংখ্য নেতাকর্মী ত্যাগ স্বীকার করেছেন। পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনে ছাত্রজনতার আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে থাকবে। এই আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবারের নির্বাচনকে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ভোটারদের নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে আনতে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাই হবে এই নির্বাচনের মূল লক্ষ্য।

দিনব্যাপী কর্মসূচিতে বিএনপি ও জোটের কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারা জৈন্তাপুরবাসীর উন্নয়ন ও অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

গণসংযোগ শেষে এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময়ে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ভোটের মাধ্যমেই অবহেলিত জনপদের কণ্ঠস্বর শক্তিশালী হয়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জৈন্তাপুরের মানুষ যদি নিজেদের পক্ষে রায় দেয়, তবে এই অঞ্চল আবারও উন্নয়ন ও সম্মানের পথে ফিরবে, এই আশাই তিনি দেখাতে চান সবার মনে।

শেয়ার করুন